শুক্রবার, ২৫ মার্চ, ২০১৬

নিরকারে আকার দিয়া বিশ্ব বানাইছে

কবি, লেখক, ব্লগার ও পূবালী ব্যংকার ইসফাক কুরেশি
একশত ঊনপঞ্চাশঃ 
নিরাকারে আকার দিয়া বিশ্ব বানাইছে

নিরাকারে আকার দিয়া,
 দুনিয়া বানাইছে।
এই দুনিয়ার মাঝে বিধি,
প্রকাশ হইতাছে।
ইসফাক কুরেশি ধ্যানে খোঁজে,
নিরাকারের ঘাঁটি।
দেখে তার অন্তরে তাইন,
করেন হাঁটাহাঁটি।

দয়াল আল্লার সাধ জাগিলো, 
আমি প্রকাশ হবো।
আর কতকাল হাকিম আমি, 
অন্তরালে রবো।
শূন্যের মাঝে বিগব্যাং তিনি,
দিলেন ঘটাইয়া।
বিন্দু হতে সিন্ধু গড়েন,
মহাশক্তি দিয়া।
শক্তির মাঝে দিলেন ভর, 
ভারি বস্তু তৈরি হলো গিয়া।

ইসফাক কুরেশি ধ্যানে খোঁজে,
নিরাকারের ঘাঁটি।
দেখে তার অন্তরে তাইন,
করেন হাঁটাহাঁটি।

বৃক্ষ হলো, প্রাণী হলো,
হলো মেঘমালা।
চন্দ্র সুর্য গ্রহ তারা,
 লক্ষ আলোর মালা।
শিল্পীর তুলিতে আঁকা, 
রূপের রঙ্গমালা।

ইসফাক কুরেশি ধ্যানে খোঁজে,
নিরাকারের ঘাঁটি।
দেখে তার অন্তরে তাইন,
করেন হাঁটাহাঁটি।

বুদ্ধি বলে সাজায় বিঁধি, 
পাহাড় সাগর মাটি।
আলো বায়ু তাপ ও জল,
সাজায় পরিপাটি।
পৃথিবীটা চিড়িয়াখানা,
লাখ প্রজাতির বাটি।
আদমরে করিলা বিধি,
প্রকাশের ঘাঁটি।
ইসফাক কুরেশি ধ্যানে খোঁজে,
নিরাকারের ঘাঁটি।
দেখে তার অন্তরে তাইন,
করেন হাঁটাহাঁটি।

বুদ্ধিমান মানুষ হলো,
সেরা শিল্প তাঁর।
মানুষরে বানায় ঘটক,
বিশ্ব সভ্যতার।
মানব মনে দিলো নেশা, 
সৃষ্টি জানিবার॥
শিল্পীর খুঁজে হন্য মানুষ, 
শিল্পী রে না পায়।
চোখে ধাঁধা লেগে কাঁদে,
সৃষ্টির বিশালতায়।

ইসফাক কুরেশি ধ্যানে খোঁজে,
নিরাকারের ঘাঁটি।
দেখে তার অন্তরে তাইন,
করেন হাঁটাহাঁটি।
প্রথম রেকর্ড গান- ১
দ্বিতীয় রেকর্ড গান-২
গানের বইঃ লাল গোলাপ
প্রকাশকালঃ ডিসেম্বর ২০১২

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন