এক
যে রাতের রঙ্গীন খেলায় এলাম মায়ের কাছ
১
ভ্রমর ফুলের রঙ্গের খেলা ঘটায় মহাজন,
মহাজনের লীলাখেলায় সৃষ্টি হয় জীবন।
কেমনে এলে রঙ্গমঞ্চে, ভাবোনি রে মন।
মাটির খাঁচায় বাঁধো বাসা, অস্থায়ী জীবন॥
২
ভাবো একবার, কেমন ছিলে হয়ে মাতৃভ্রণ,
মাতৃভ্রূণে আদমসুরত গড়েন মহাজন,
নয়মাস দশদিন পরে, আসে শুভক্ষণ,
এসেই আনন্দে করো সুতীব্র ক্রন্দন॥
৩
দুনিয়ায় এসে শিশু বাঁধে, মাতৃবক্ষে বাসা,
কোন এক মানবজালে, হয় তাঁর আসা।
সেই জালে ঘটে তাঁর মায়া ভালবাসা।
মানবজাল শিখায় তাঁরে, ধর্ম আর ভাষা॥
৪
পেঠের ক্ষিধা, কামের ক্ষিধা,
সইতে না কেউ পারে।
দুই ক্ষিধার চাপে পড়ে, যায়রে সংসারে।
প্রেমের ক্ষিধা নেয় তারে, বিয়ের বাজারে,
বিয়ের লাঙ্গল রোপে তাঁরে শস্য খামারে॥
৫
ইসফাক কুরেশি কয়, সংসার মায়াবন,
সবকিছু বৃত্তাকারে করে আবর্তন।
হলে চক্কর সমাপন, ঝরে যায় জীবন,
নতুন আসে খালিস্থানে, পালায় পুরাতন।
৬
ইসফাক কুরেশি কয়, সংসার মায়াবন,
ভ্রমর ফুলের রঙ্গের খেলা ঘটায় মহাজন।
মহাজনের লীলাখেলায় সৃষ্টি এই জীবন,
বড় অবুঝ, আমরা মানুষ, নাজানি তেমন।
রচনাঃ ১৯৯০-২০০০ সাল
রেঙ্গা দাউদপুর, দক্ষিণসুরমা, সিলেট

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন