অল্পকথায় ডাঃ নুরজাহান বেগম চৌধুরীর পরিবারঃ
আমার শ্বশুর এনাম উদ্দিন চৌধুরী ১৯৩০ সালে বিয়ানীবাজার উপজেলার চারখাইয়ের সাচান গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আব্দুল মজিদ চৌধুরী। তিনি সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয়ে চাকুরী করতেন এবং খাদ্যনিয়ন্ত্রক পদ হতে অবসর গ্রহণ করেন। শ্বাশুড়ি মলিকা খাতুন চৌধুরী গোলাপগঞ্জের উত্তর রনকেলীর এক অভিজাত ঘরে জন্মগ্রহণ করেন। তাদের ঔরসে জন্ম নেন তিনপুত্র কবির আহমদ চৌধুরী সহুল, জামিল আহমদ চৌধুরী শাহজাহান, আজিজ আহমদ চৌধুরী জুয়েল ও একমাত্র কন্যা নুরজাহান বেগম চৌধুরী শাহরিন।
কবির ভাই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হতে গণিতে এমএসসি ডিগ্রি নেন। সুনামগঞ্জের সাল্লা উপজেলার সিরিয়াই গ্রামের জেসমিন চৌধুরীকে তিনি বিয়ে করেন। তিনি সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের ফুফু। কবির চৌধুরী দেশে কিছুকাল গণিত বিষয়ে অধ্যাপনা করে পরে সপরিবারে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন চলে যান। তিনি খুব সহজ সরল ধর্মপরায়ণ লোক। তার দিন কাটে মহান আল্লাহ পাকের আরাধনায়। তাঁর তিন কন্যা ইমা, শাম্মি ও শ্যামা।
জামিল আহমদ চৌধুরী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হতে মেরিন সাইন্সে এমএসসি ডিগ্রি নেন। তিনি ব্রাকে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসাবে বেশ কিছুদিন চাকুরি করেন এবং অনেক দেশে ব্রাকের হয়ে কাজ করেন। তিনি পরে সপরিবারে যুক্তরাষ্ট্রের কলম্বিয়া শহরে স্থায়ীভাবে চলে যান। তিনি উচ্চ বুদ্ধাংকের অধিকারী। তার পত্নী হাসনাত জাহান চৌধুরী বিউটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে সমাজতত্বে সম্মানসহ এমএসএস ডিগ্রি অর্জন করেন এবং হাসনাত জাহান ঢাকাদক্ষিণের কানিশাইল গ্রামের সম্রান্ত বংশীয় আফতাব আহমদ চৌধুরীর কন্যা। জামিল চৌধুরীর একমাত্র পুত্র ব্যারিস্টার আতিফ আহমদ চৌধুরী ও একমাত্র কন্যা তাইবা চৌধুরী এমবিএ যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।
আজিজ আহমদ চৌধুরী বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার, তিনি প্রথমে জালালাবাদ গ্যাসে ও পরে বিসিআইসি তে সরকারি চাকুরি করেন। তিনি রনকেলী গ্রামের শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী ওজিউদ্দিন চৌধুরী ওরফে লতমিয়ার একমাত্র বংশধর আনিকা চৌধুরীর সহিত বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। আজিজ চৌধুরী এখন ঢাকায় ব্যবসা পরিচালনা করছেন, সেইসাথে যুক্তরাষ্ট্রেও বসবাস করছেন। আজিজ আহমদের পুত্র আরিক আনিক চৌধুরী ও কন্যা আলমা তাজিজ চৌধুরী। তাঁরা দুইজন বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার ও যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন