সপ্তম
আশ্চর্য্যরে অন্যতম তাজমহল স্বচক্ষে দেখার এক তীব্র আকর্ষণ ছিল শৈশব হতে। কোন এক ভারতীয় লেখক পৃথিবীর মানুষকে
দুইভাবে ভাগ করেছেন একভাগ হচ্ছে: যারা তাজমহল দেখেছেন এবং অন্যভাগ
হচ্ছেন: যারা দেখেন নি। যাক আমি, আমার সহধর্মিনী ডা: নূরজাহান বেগম চৌধুরী ও পুত্র
জেফার ১২ সেপ্টেম্বর ২০১২ সালে ঐ প্রথম ভাগের মানুষের অন্তভুক্ত হলাম। শৈশবে গ্রামের মানুষের মুখে শুনতাম তাদের পূর্বপুরুষরা আসামে কাজ ও ঠিকাদারী করতেন। আমাদের অনেক আত্মীয় বৃটিশ আমলে আসামের নানা অঞ্চলে চাকুরী করতেন। কামরূপ কামাক্ষ্যার রহস্য জগতে এ অঞ্চলের অনেক মানুষ গিয়ে হারিয়ে
যেত। লোকে বিশ্বাস করতো ঐ যাদুর জগতের মেয়েরা ঐসব লোকেদের চিরতরে যাদুমন্ত্রে বন্দি করে রেখে দিত। আসলে
ঐসব লোকেরা বিয়েশাদি করে আসামের
জনবিরল অঞ্চলে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন করতো, পথের অগম্যতার কারণে
আর ফিরে আসতে
সক্ষম হত না। ১৯৪৭ সনের ১৪ই আগষ্টের আগে ঐ
অঞ্চলটা আমাদের সাথে একই রাষ্ট্রের অংশ ছিল। ১৯৪৭ এর সীমারেখা আমাদেরকে চিরদিনের জন্য আলগা করে দিল। আমরা আলাদা হয়ে
প্রথমে পাকিস্তান ও পরে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের অন্তভুক্ত হলাম।
এই ব্লগ ও ইবুকে আছে আমার লেখা শাহজালাল(রঃ) ও ৩৬০ আউলিয়ার ইতিহাস। শাহজালালের(রঃ) সহচর শাহদাউদ কুরায়শীর(রঃ) বিবরণ। গল্পবই 'ঝরাপাতা', প্রবন্ধ ও কলাম বই 'সময়ের দিনলিপি' সনেট কাব্য 'রমণীয় পৃথিবীর বুকে' প্রেমকাব্য 'যে প্রাণে আগুন জ্বলে' বিদ্রোহী কাব্য 'আমার রক্তে যদি, মুক্তি আসে' সিলেট বিষয়ক কাব্য 'সিলেট তোমার নাম কবিতা দিলাম' কাব্য 'ঋতুচক্রে ইসফাক' কাব্য 'আরম্ভ রাগিনী' কাব্য 'হৃদয়ে বাংলাদেশ' ও গানের বই 'লালগোলাপ'। আর আছে ভ্রমণকাহিনি 'দেশে দেশান্তরে' এবং আত্মজীবনী 'জীবনের খেলাঘরে'
দেখে এলাম ভারতঃ সেই তুলনায় বাংলাদেশ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
দেখে এলাম ভারতঃ সেই তুলনায় বাংলাদেশ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
