রেংগা দাউদপুর চৌধুরীবংশীয়দের গ্রন্থাবলীঃ

ইসফাক কুরায়শী রচনাসমগ্র
প্রকাশকাল ২০১২ সাল
চৌধুরী ইসফাকুর রহমান কুরেশীর রচিত পনেরটি গ্রন্থঃ
১ শাহজালাল(রঃ) এবং শাহদাউদ কুরায়শী(রঃ)
২ শাহদাউদ কুরায়শী (রহঃ) ও বংশধারা
৩ কাব্যঃ: সিলেট তোমার নাম, কবিতা দিলাম
৫ সনেট কাব্যঃ রমণীয় পৃথিবীর বুকে
৬ বিদ্রোহী কাব্যঃ আমার রক্তে যদি মুক্তি আসে
৭ প্রেম কাব্যঃ যে প্রাণে আগুন জ্বলে
১০ প্রবন্ধ ও কলামঃ সময়ের দিনলিপি
১২ ভ্রমণ কাহিনীঃ দেশ-দেশান্তরে
১৩ কাব্যগ্রন্থঃ হৃদয়ে বাংলাদেশ
১৪ আত্মজীবনী গ্রন্থঃ জীবনের খেলাঘরে
১৫ ইসফাক কুরায়শী রচনাসমগ্র

আজিজুন্নেসা চৌধুরীর সঙ্গে কানিহাটি হাজিপুরের বৃটিশ আমলের পুলিশ ইন্সপেক্টর আব্দুল বারী চৌধুরীর বিয়ে হয়। তার জন্ম ১৯০৬ সালে রেঙ্গা দাউদপুরে এবং ১৪ ডিসেম্বর ১৯৯৬ সালে তিনি হাজিপুরে পরলোকগমন করেন। তাঁর মুক্তিযোদ্ধা কনিষ্ঠ পুত্র আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী খুব সুন্দর কাব্য শুকতারা প্রকাশ করেন ২০১৬ কালে। আজিজুন্নেসা চৌধুরী দাউদপুর পূর্বচৌধুরী বাড়ির মোহাম্মদ মোফজ্জিল চৌধুরীর কন্যা।

বাংলাদেশ সরকারের প্রাক্তন সচিব ও সাহাবউদ্দিন সরকারের বানিজ্য উপদেষ্টা ইমামউদ্দিন চৌধুরীর লিখিত আত্মজীবনী “স্মৃতির সমুদ্র” একটি সুখপাঠ্য গ্রন্থ। এই বইতে তাঁর সমকালের সরকার, রাজনীতি, অর্থনীতি এবং বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অবস্থা চিত্রিত হয়েছে। ২০০৮ সালে বইটি প্রকাশিত হয়।

এই বইটি রচনা করেন নর্থইস্ট মেডিকেল কলেজের পরিচালক, চর্মরোগ বিশেষঞ্জ, অধ্যাপক শামিমুর রহমান। তিনি বিএনপির একজন চিকিৎসক নেতা ছিলেন। এই বইটি ২০১৭ সালে প্রকাশিত হয়।
বাংলাদেশ সরকারের সচিব ঐতিহাসিক দেওয়ান নুরুল আনোয়ার হোসেন চৌধুরী এই বই ২০০০ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশ করেন।

এম পি শফি আহমদ চৌধুরীর সহধর্মিনী লতিফা চৌধুরী ২০১৭ সালে বইটি প্রকাশ করেন।

চৌধুরী নিশাতুর রহমান কুরেশীর পত্নী ফাহমিদা লোমা ২০২০ সালে কলিকাতা বইমেলায় বইটি প্রকাশ করেন।

দরগামহল্লার ডাঃ মুফতি মোহাম্মদ শামস ওরফে হুর ২০২০ সালে ঢাকা একুশের বইমেলায় এই বই প্রকাশ করেন। মুফতি মোহাম্মদ শামস দাউদপুর পূর্ব চৌধুরীবাড়ির সফিকুর রহমান চৌধুরীর কন্যা আনিকা চৌধুরী রেহার পুত্র।

গ্রন্থঃ কাদিয়ানি মতবাদ খন্ডন
লেখক ও প্রকাশকঃ মৌলভী কুতুবউদ্দিন চৌধুরী ও মাওলানা আব্দুল আজিজ
প্রকাশঃ বৃটিশ শাসনামল
বৃটিশ আমলে গোলাম আহমদ নামে পাঞ্জাবের কাদিয়ানের এক ব্যক্তি ইংরেজদের সহায়তায় নিজেকে প্রথমে ইমাম মেহদি ও পরে নবি দাবি করে বসেন। অসংখ্য মানুষ তার লেখা কুরানের তাফসির পড়ে বিভ্রান্ত হয়ে তার অনুসারি হয়ে যান। তার অনুসারিদেরে বলা হত আহমদি বা কাদিয়ানি সম্প্রদায়। আলেমগণ যাকে কাদিয়ানি ফেতনা বলে বলে অভিহিত করেন। দাউদপুর পশ্চিম চৌধুরীবাড়ির কুতুবউদ্দিন আহমদ চৌধুরী বৃটিশ আমলে দাউদিয়া মিডল ইংলিশ মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা আব্দুল আজিজের সাথে যৌথভাবে কাদিয়ানি মতবাদ খন্ডন করে একটি কিতাব প্রকাশ করেন।

গ্রন্থঃ আত্মকথা
ডঃ সদরুউদ্দিন আহমদ চৌধুরী
প্রকাশঃ
দাউদপুর পূর্ব চৌধুরীবাড়ির মোহাম্মদ মোফজ্জিল চৌধুরীর কন্যা ছফিয়া খাতুন চৌধুরীর জৈষ্ঠ্য পুত্র ডঃ সদরুউদ্দিন আহমদ চৌধুরী এই আত্মজীবনী রচনা করেন। তিনি শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয় ও নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেন্সেলর ছিলেন। তিনি গোলাপগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ি গ্রামের জাতক।
