চুপি চুপি যায় রে, বহে জীবন নদের জল
চুপে চুপে যায় রে বহে জীবন নদীর জল,
পিছন ফিরে চায়না
কবু সম্মুখে সচল।
ষাটটি বছর শুনলাম কেবল ছলাৎ ছলাৎ ছল।
থামো, থামো, দুয়েক কথা বলতে আমি চাই,
এত ডাকাডাকি করি কোন জবাব নাই।
বুকের ভিতর জমে থাকে কত না বলা দ্বায়,
তবু স্রোতের মত মানুষ চলে যায়।
ষাটটি বছর শুনলাম কেবল ছলাৎ ছলাৎ ছল।
ইসফাক কুরেশির জীবন গাঙ্গে বইছে কতজল,
ষাটটি বছর শুনলাম কেবল ছলাৎ ছলাৎ ছল।
দেখা যায় রে স্রোতধারা বইতেছে কেবল,
উজানে না ফিরে কবু ভাটিনদীর ঢল।
পথের ধূলো মেঘে মেখে দিনের যত ফল।
তবু মানুষের মনে জাগে স্মৃতির কদম ফুল।
পাহাড় হতে ঝরনা নামে দুরন্ত চঞ্চল,
দূর সাগরে গিয়ে থামে সকল কোলাহল।
জীবনেরও এমনি এক নিঃশব্দ ভোর,
শেষের আগে বাজে শুধু সময়েরই সুর।
ইসফাক কুরেশির জীবন গাঙ্গে বইছে কতজল,
ষাটটি বছর শুনলাম কেবল ছলাৎ ছলাৎ ছল।
ইসফাক কুরেশির জীবন গাঙ্গে বইছে কতজল,
ষাটটি বছর শুনলাম কেবল ছলাৎ ছলাৎ ছল।
যে ডাকে সেও ফুরায়, যে নামে সেও যায়,
তবু নামের পরে নাম থেকে যায় রে ভাই,
স্মৃতির কুয়াশা ভেদ করে বহে সেই এক সুর,
মানুষ যায়, গান থাকে নদী থাকে, ঘুরে ঘুরে দূর
ইসফাক কুরেশির জীবন গাঙ্গে বইছে কতজল,
ষাটটি বছর শুনলাম কেবল ছলাৎ ছলাৎ ছল।
ইসফাক কুরেশির জীবন গাঙ্গে বইছে কতজল,
ষাটটি বছর শুনলাম কেবল ছলাৎ ছলাৎ ছল।
গানের বইঃ লালগোলাপ
রচনাঃ ১৯৯০-২০০০ সাল
রেঙ্গা দাউদপুর, দক্ষিণসুরমা, সিলেট
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন