কবি, লেখক, ব্লগার ও পূবালী ব্যাংকার ইসফাক কুরেশী
দুইশত বিশঃ
গ্রামে আমার বাড়ী ছিল
গ্রামে আমার বাড়ি ছিল,
চারপাশে ছিল আমার পাড়াপড়শীর ঘর,
আজকে আমি শহরবাসী,
সেই গেরামের সবাই আমার হয়ে গেছে পর।
বাঁশবেতসের বনের মাঝে কাটতো ছেলেবেলা,
খেলায় খেলায় হেরে যেত সকাল সন্ধ্যাবেলা।
গ্রামে আমার বাড়ি ছিল,
চারপাশে ছিল আমার পাড়াপড়শীর ঘর,
আজকে আমি শহরবাসী,
সেই গেরামের সবাই আমার হয়ে গেছে পর।
গরমদিনে বড়পুকুরে ডুবসাঁতারে কাটতো দুপুর,
হাজার পাখির গানে গানে জমে যেত ভোর।
বর্ষাকালে ঝিলের বুকে নৌকা ভাসাইয়া,
দিন কাটিত ঢেউয়ের মাঝে শাপলা জড়াইয়া।
অঘ্রানের ধানমাড়ানো ঠান্ডা রাতে,
দু’চোখে নামিত ঘুম,
কাঞ্চনমালার গান শুনিয়া,
বৈশাখ যেত আম, জাম, লিচু কুড়াইয়া।
গ্রামে আমার বাড়ি ছিল,
চারপাশে ছিল আমার পাড়াপড়শীর ঘর,
আজকে আমি শহরবাসী,
সেই গেরামের সবাই আমার হয়ে গেছে পর।
গ্রামে আমার বাড়ি ছিল,
সেই গেরামের সবাই আমার হয়ে গেছে পর।
গ্রামে আমার বাড়ি ছিল,
সেই গেরামের সবাই আমার হয়ে গেছে পর।
পাড়া পড়শীর মায়া ছিল,
হাজার গাছের ছায়া ছিল,
তারি এক পাশে ছিল ইসফাক কুরেশির ঘর,
সেখানে ঘুমাইয়া আছে শৈশব ও কৈশোর।
গ্রামে আমার বাড়ি ছিল,
চারপাশে ছিল আমার পাড়াপড়শীর ঘর,
আজকে আমি শহরবাসী,
সেই গেরামের সবাই আমার হয়ে গেছে পর।
গ্রামে আমার বাড়ি ছিল,
সেই গেরামের সবাই আমার হয়ে গেছে পর।
প্রথম গান
দ্বিতীয় গান
গানের বইঃ লালগোলাপরচনাঃ ১৯৯০-২০০০ সাল
প্রকাশকালঃ ২০১২সাল
রেঙ্গা দাউদপুর, দক্ষিণসুরমা, সিলেট
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন