জন্মেছি আমি এক উসর নিরন্ন দেশে,
এই জনমমাটি তবু আমি যাবো ভালবেসে।
এইখানে শুনি সদা চিৎকার অভাব অভাব,
যাদুভরা চোখ দু’টি তবু দেখে সোনালি খোয়াব।
জানি, এদেশে লেগে থাকে বড় টানাটানি,
হবনা আমি তবু দেশের প্রতি অভিমানী।
এদেশের প্রতিটি ধূলির কণা নিরেট সোনার,
আমরা দুর্ভাগা জাতি, দোষ কি বা তার।
অজস্র রত্ম আছে এদেশের মাটির তলায়,
নদী-বন-গীরি-সাগর-জলায়।
অদক্ষ অলস মোরা রয়েছি দাঁড়ায়,
কচ্ছপের মতো মোরা, তাঁর কিবা দায়।
জানি আমি, যতদিন বেঁচে রবো এই বাংলায়,
দেখবো কেবলই দুখ, মানব চেহারায়।
দৃঢ় প্রত্যয়ী আমি এই বাংলার সন্তান,
শপথ বাংলার, গাইবো আমি জননীর জয়গান।
বিন্দু বিন্দু রক্ত ও ঘাম এ মাটিতে ঢেলে ঢেলে।
আগত শিশুদের রচিবো স্বর্গ, তারপর যাবো চলে,
বিলাসে নয়, ত্যাগে আমি করবো জীবন জয়,
গৌরব তাদেরই যারা জীবনের মুখোমুখী হয়।
নতুন কুঁড়ির বাগান সাজাবো, ঢেলে রক্ত ও ঘাম,
জীবনের গৌরব লিখে যাবো আমি করিয়া সংগ্রাম।
জীবনযুদ্ধ শেষ করে আমি, চলে যাবো আল্লার কাছে,
রবো আমি সেই অচিন পরবাসে, বাংলাকে ভালবাসে।
রচনাকালঃ আমার কলেজ জীবন, সিলেট।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন