দুর্ঘটনায় ক্ষতবিক্ষত ‘বাংলা’ নামের কিশোরী,
রক্তশূন্য মুমূর্ষূ ফ্যাকাসে হয়ে গেছে সুন্দরী।
অসুস্থ কন্যের প্রয়োজন আজ ও নেগেটিভ রক্ত,
হাসপাতালে মুর্ছিত সে, বাঁচানো যে বড়ই শক্ত।
কে আছে, রক্ত দেবে মেয়েটির মুখপানে চেয়ে,
অজস্র হিংস্র ধর্ষকের থাবায় আহত যে এই মেয়ে।
হাজার মাতালের আক্রমণেও এ মেয়ে মরে নাই,
হাজার মাতালের আক্রমণেও এ মেয়ে মরে নাই,
শক্তপ্রাণ বাংলাকন্যে কোনদিন মরিবে না তাই।
হাসপাতালের বেডে বঙ্গকন্যে কাঁদে যন্ত্রণায়,
হায়রে স্বদেশ, আর কতকাল রবে মরণশয্যায়।
দু'শ বছর বন্দি ছিলে ডাকাতদলের ঘরে,
মুক্ত হলে একাত্তুরে, নয়মাস রক্তস্নান করে।
প্রচন্ড সংঘর্ষে লন্ডভন্ড সর্বাঙ্গ তোমার,
তরতাজা রক্তই বাঁচাতে পারে তোমাকে আবার।
কেউ রক্ত দিক বা না দিক, আমি আছি দেবো,
বাংলা মাকে বাঁচাতে আমি একাই এগিয়ে যাবো।
পৃথিবীতে আমি একাই এসেছি, একাই যাবো চলে,
অন্তিমদশায় অচেতন বাংলা, তাঁকে বাঁচাবো মৃত্যু দলে।
রচনাকালঃ ১৯৮৪ সাল (কলেজ জীবন)
রচনাস্থলঃ সিলেট।
রচনাস্থলঃ সিলেট।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন