শিমি
তুমিতো সেই ইস্পাত কঠিন শক্ত কিশোরী,
যাকে টলাতে পারেনি
সমাজ নামক হিমালয়।
সামলাতে পারেনি
সামলাতে পারেনি
পরিবারের লৌহ শিকল।
টানতে পারেনি
পিতৃ-গৃহের স্নেহের বন্ধন।
তুমিতো বলতে পারতে নিঃশঙ্কা গলায়-
“প্রয়োজনে অতীতকে ভুলে যাবো,
চেনা এ সংসারটাকে সালাম দেবো,
ছাই দেবো ভালবাসার শত্র“দের মুখে,
তবুও তোমাকে চাইই চাই আমি,
তোমাকে আমার প্রয়োজন আজীবন,
তোমাকে ছাড়া যে বাঁচবো না আমি।”
আমিও জবাব দিতাম সপ্রতিভ কন্ঠে-
“ আমার একহাতে সায়ানাইড, অন্যহাতে তুমি,
“ আমার একহাতে সায়ানাইড, অন্যহাতে তুমি,
তোমাকে হারালে আমি, মরে যাবো সায়ানাইড চুমি।”
কোন এক আধার রাতে,
চুপে চুপে তুমি,
এসেছিলে আমার শয়নগৃহে।
চুপে চুপে তুমি,
এসেছিলে আমার শয়নগৃহে।
সেরাতে ভয়ে মুখটি তোমার,
হয়েছিল রক্তশুন্য নীল।
হয়েছিল রক্তশুন্য নীল।
বিবর্ণ চোখে কম্পিত কণ্ঠে জানালে আবেদন-
“প্লিজ লক্ষিটি, আমাকে মুক্তি দিও অপকর্ম হতে।”
তোমার ভয় দেখে মনে মনে হাসলাম,
তারপর রললাম শব্দহীন গলায়-
তারপর রললাম শব্দহীন গলায়-
“বড় অবিশ্বাসী মেয়ে তুমি শিমি,
আজও তুমি চিনলে না আমি কোনজন?
সুজন না কুজন।"
রচনাকাল ঃ আমার কলেজ জীবন

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন