আমি শতকরা এক’শ ভাগ বিশ্বাসী ছিলাম,
সে যে কি সুদৃঢ় বিশ্বাস,
শক্ত লোহার মত ছিল যার ভিত।
বলতে আমাকে তুমি-
“ভালবাসার পবিত্রতায় না এলে আঘাত,
তুমি-আমি মিশবো দু’জনে,
একা নির্জনে
নিরিবিলি বাংলায় কিংবা কোন নিরালায়।”
তোমার প্রথম পত্র-
“যদি কোন নিষ্কলুষ হৃদয় পেতাম,
তাহলে আমি তাকে ভালবাসতাম।”
তোমার এ বাণীর অসম্মান
আমি করিনি কোনদিন।
রীতিমত পরীক্ষায় পাশ করে,
আমি সেই নিষ্কলঙ্ক হলাম।
তবেই না তোমার
প্রেমিক সাজিলাম।
আমি করিনি কোনদিন।
রীতিমত পরীক্ষায় পাশ করে,
আমি সেই নিষ্কলঙ্ক হলাম।
তবেই না তোমার
প্রেমিক সাজিলাম।
কারণ আমি লম্পট নই,
আমার জিহবায় নেই
কোন নরম মাংসের স্বাদ।
কোন নরম মাংসের স্বাদ।
একেবারে একাকিনী নিঃসঙ্গ তুমি,
বিশ্বাসের গাড়ী চড়ে তাই
রাতের ভূতুড়ে অন্ধকারে।
রাতের ভূতুড়ে অন্ধকারে।
চলে আসতে আমার শোবার ঘরে,
তোমার নখের মৃদু ঠুকায়,
আমি খুলে দিতাম দরজার পাঠ।
লোকভয়, সমাজ ভয়,
কালোরাতের ভূতের ভয়,
কোন ভয় কোন ভীতি,
আটকাতে পারেনি, তোমাকে কোনদিন।
শত দুঃখ যন্ত্রণার তীব্র কষাঘাতে বসে,
বিদগ্ধ জীবনের বুকে প্রায়ই আমি,
আমাকে হারিয়ে ফেলতাম মাঝে মাঝে।
বহু খোঁজাখুঁজি পর ফিরে পেতাম আমাকে,
আমি যে আছি প্রিয়া, তোমার ভিতর।
তুমি আমার সেই শত সাধনার ধন,
হৃদয়ের স্বপ্নীল হরিনি,
আমার জীবন শপথ।
তুমি একজনই,
সে তুমি।
রচনাকাল ঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় জীবন
সে তুমি।
রচনাকাল ঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় জীবন

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন