শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

যেন বাতাস না জানে

যেন বাতাস না জানে
বাংলার গ্রামেগ্রামে বহিতেছে বসন্ত বাতাস,
ডালে ডালে যৌবনের রাঙ্গা হাসা-হাসি,
ফুটিয়াছে ফুলকলি, হাজার মুকুল।
কোকিলের মধুর গান বাজে বিজন বনে,
ফুলেফুলে মক্ষিকার সুমধুর গুনগুন।
সবখানেইভালবাসার এক অদম্য ছবি,
যে ছবির কারুকাজ সারাটা ভূবন।
হে বসন্ত,  হে ভালবাসা-
মানবকণ্ঠ যদি থাকতো তোমার,
 অস্ফুট বাক্য যদি ফুটতো তোমার ঠোটে,
তাহলে তোমাকে বলতাম
 কে তুমি? কোথা হতে এসেছো?
 কোনখানে  ঘরটি তোমার?

ভালবাসা হয়ত জবাব দিত-
হে অবুঝ ছেলে, সব জানো,
অথচ জাননা,
 আমি যে এক উম্মাদ যাযাবর।
আমি নিজেকে গোপন রাখি
কখনও কাউকে দেইনা খবর।

আমি ভালবাসা, আমার আসন,
মানব মানবীর হৃদয়ের বন।
আমি শীতের অতিথি পাখির মত,
বসন্তের পাগলা হাওয়ার মত,
অবিরাম ঘুরিফিরি নীড় খুঁজি,
 প্রকৃতির ভাঁজে ভাঁজে মানব হৃদয়ে।
লোকচক্ষুর অন্তরালে,
  হৃদয়ের ডালে ডালে বাসা বাঁধি,
 এ বাসায় ঢুকে পড়ে চোর যদি।

এ বাসায় ঢুকে পড়ে চোর যদি।
তাই নিশ্চিদ্র সংগোপনে,
আমি জোড় বেঁধে বাসা বাঁধি
  প্রকৃতির বনে বনে,
খবরটা যায়না যেন বাতাসেরও কানে।
রচনাকালঃ 
আমার কলেজ জীবন (১৯৮১-৮৬সাল)

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন