মনে পড়ে অনেক অনেক দিন আগে,
লংলার জমিদারী যুগের বয়েসী কাঠের গৃহে,
নিরব দুপুরে পুরনো ভগ্ন চৌকিতে,
তোমার হীমশীতল কোলে,
রেখেছিলাম এই অশান্ত মস্তক।
সেই দিন কৌশরের ফ্রক ছিল গায়ে,
সেই দিন কৌশরের ফ্রক ছিল গায়ে,
সদ্য কিশোরী তুমি,
চোখদু’টি ছিল জবাফুল,
বাতাসে এলোমেলো ছিল কালোকেশ।
মৃদু হেসে বলছিলে-
দু’জনার মাঝখানে ফাঁক আর, রবে কতকাল?
সোনার চাঁদ উদিবে কখন আমাদের শূন্য কোলে?
আলো হয়ে আসবে সুজন কখন?
ওকে আমি দেবনা কাউকে
এমন কি তোমাকেও ভুলে,
ও কেবল রইবে সদা আমারই কোলে কোলে।”
আমার নাতিষিতুষ্ণ উত্তর-
“বাহ্, তুমিতো বিড়ালী, যেন বাঘের মাসী,
বাঘিনীতো সযতনে আলগে রাখে আপন সন্তান,
জন্মদাতার অজানা আশঙ্কায়।
সহস্র কৌতুকে কৌতুকে হারিয়ে যেত কত দিন,
ঠোঁট মুখ চোখ ছিল দিনরাত অবকাশহীন।
রচনাকালঃ
আমার কলেজ জীবন
(১৯৮১-৮৬ সাল)
রচনাকালঃ
আমার কলেজ জীবন
(১৯৮১-৮৬ সাল)

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন