সুদীর্ঘ্য রাতে একা জেগে থাকা আমি এক নিশাচর,
নির্জন অন্ধকারে চারপাশ ভয়ঙ্কর।
আরব্য উপন্যাসের কিম্ভূত এক ভূত,
বীকট হা-মেলে গিলতে আসছে আমাকে
আমার তো পৃথিবীতে কত বন্ধু ছিল,
আত্মীয় স্বজন ছিল,
আত্মীয় স্বজন ছিল,
আজ কেউ যেন নেই।
কেমন যেন সবাই সঠকে গেছে
দুধের মাছির মতন।
কেমন যেন সবাই সঠকে গেছে
দুধের মাছির মতন।
আমি তাই কেমনে পালাই?
কোন্ দিকে কোন্ পথে পালাবো,
নিকষ অন্ধকারে আমি যে দৃষ্টিহারা ।
কে আছে যে আমার সহায় হবে,
আমাকে তুলে আনবে।
মৃত্যুর ভয়ঙ্কর প্রতিচ্ছবি,
এক চোখা কালো এ দৈত্যের কবল হতে-
যে দৈত্যটা আসলে
“আমার হৃদয়ের কূলহীন শূন্যতা।”
“আমার হৃদয়ের কূলহীন শূন্যতা।”
রচনাকাল ঃ প্রথম চাকুরী জীবন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন